ADS বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন: [email protected]

আমাদের তো বিরাট নাই এক বুক হতাশা নিয়ে বাবরকে পরামর্শ দিলেন বিশ্বকাপ জয়ী পাক ক্রিকেটার

আমাদের তো বিরাট নাই এক বুক হতাশা নিয়ে বাবরকে পরামর্শ দিলেন বিশ্বকাপ জয়ী পাক ক্রিকেটার

[ad_1]

১১ মাস আগে টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতকে ১০ উইকেটে হারিয়েছিল পাকিস্তান। সেটাই ছিল ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথমবার বিশ্বকাপ মঞ্চে পাকিস্তানের কাছে ভারতের পরাজয়।

তারপর কেটে গেছে অনেকদিন। দুই দলই আরও শক্তিশালী হয়েছে। বিশেষ করে চলতি বছর ভারত টি-২০ ক্রিকেটে নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করেছে।

দলের কোচ ও অধিনায়ক পরিবর্তন হওয়ায় মানসিকতাতেও পরিবর্তন এসেছে। অন্যদিকে পাকিস্তান দলের ক্ষেত্রে ছবিটা উল্টো। একাধিকবার ধাক্কা খেয়ে পাকিস্তান দল এখন বেশ চাপে।

দল মিডল অর্ডারের সমস্যায় ভুগছে। এশিয়া কাপের পরেও সমস্যায়টা প্রকট হয়েছে। ওপেনাররা রান না পেলে দল মুখ থুবড়ে পড়ছে।

গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ ছেড়ে চলে আসতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তান দলে বিরাট কোহলির মত একজনের অভাব অনুভব করলেন দলের প্রাক্তন ফাস্ট বোলার আকিব জাভেদ।

পাকিস্তানের ওপেনিং জুটিতে রয়েছেন বাবর আজম ও মহম্মদ রিজওয়ান। এই দুজন বিপক্ষের জন্য শক্তিশালী। কিন্তু ব্যাটিংয়ে মাঝের দিকে কোনও নির্ভরযোগ্য ব্যাটার নেই পাকিস্তানের।

আকিব জাভেদ এখানেই দায়িত্ব নিয়ে বিরাট কোহলি হয়ে উঠতে বললেন বাবরকে। পাকিস্তানের একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আকিব বলেন, “পাকিস্তানের কাছে কোহলির মত কেউ নেই যে ৪ নম্বরে ব্যাট করতে পারবে।

বলা যায় ৪ নম্বরে ব্যাট করার কোনও স্পেশালিস্টই নেই পাকিস্তানের কাছে। তাহলে ওরা কেন পরীক্ষা করছে না ফর্মেশন নিয়ে? শুধু ওপেনারদের উপর নির্ভর করে চলছে দল।

ওপেনাররা আউট হয়ে গেলে সমর্থকরা মাঠ ছেড়ে চলে যায়। এই পরিস্থিতিতে বাবর ৪ নম্বরে নামতে পারে, এরফলে দল মিডল অর্ডারে স্টেবিলিটি পাবে। ৬ নম্বরে নামতে পারেন আসিফ আলি, ফলে শেষের দিকে ১-২ ওভারে ও চালিয়ে খেলতে পারবে।”

নিজের আন্তর্জাতিক টি-২০ কেরিয়ারে বাবর আজম মাত্র ২১ বার ওপেনার বাদে অন্য জায়গায় ব্যাট করতে নেমেছেন। ২০২১ সালে শেষবার তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ৩ নম্বরে ব্যাট করতে নেমেছিলেন।

৫১ বল খেলে করেন ৪০ রান। ২০১৭ সালে তিনি ৪ নম্বরে নামেন ও ২০১৮ সালে তিনি ৫ নম্বরে ব্যাট করতে নামেন। এছাড়া আর কোনওবার তিনি অন্য স্থানে ব্যাট করতে নামেননি।

এই তালিকায় সবার উপরে রয়েছে বিরাট কোহলির নাম। একাধিক ব্যবসায় যুক্ত তিনি। প্রসাধনী, রেস্তরাঁর মত ব্যবসা রয়েছে।

কেউ কেউ এটিকে ব্যবসা বলে থাকেন আবার কেউ কেউ এটিকে স্বপ্ন বলেন। সেরকমই বিরাটদের কাছে এটা অনেকটা স্বপ্ন। তবে বিরাটের এই হসপিটালিটি ব্যবসায় প্রবেশ নতুন।

তিনি এতদিন এই ফিল্ডে ছিলেন না। তাঁর প্রথম রেস্তরাঁ নিউ দিল্লিতে। নাম নুয়েভা। ২০১৭ সালে এটির পথচলা শুরু হয়।

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের খাবার পাওয়া যায় এখানে। তবে এখানে তাঁর পছন্দের ছোলে ভাটুরে পাওয়া যায়। বিরাট দিল্লিতে থাকলে এই রেস্তরাঁতে গিয়ে সময় কাটান।

তাঁকে ও অনুষ্কাকে একাধিকবার দেখা গেছে এখানে। এছাড়া বিরাট তাঁর রেস্তরাঁ থেকে খাবার অর্ডার দিয়ে খান মাঝে মাঝে।

কলকাতাবাসীর কাছে নামটি জানা। বিরাটের দ্বিতীয় রেস্তরাঁ এটি। এর একাধিক শাখা রয়েছে। দিল্লি, কলকাতার পর সম্প্রতি মুম্বইতে এটির শাখা উদ্বোধন করেছেন তিনি।

টি-২০ বিশ্বকাপে রওনা হওয়ার আগে তিনি উদ্বোধন করেন। মুম্বইয়ে কিশোর কুমারের বাংলোর লন ভাড়া নিয়ে এটি তৈরি করা হয়েছে।

ভারতীয় দলের অলরাউন্ডার জাদেজার শখ বাকিদের থেকে আলাদা। তিনি ঘোড়া পোষেন। ছুটিতে তিনি ঘোড়ায় চড়েন। তবে রেস্তরাঁর ব্যবসায় তিনি বাকিদের সঙ্গে একআসনে।

গুজরাটের রাজকোটে জাদেজার রেস্তরাঁ আছে। নাম ‘Jaddu’s Food Field’। ২০১২ সালের ১২ ডিসেম্বর তিনি উদ্বোধন করেন রেস্তরাঁ।

ভারতীয় দলের প্রাক্তন ফাস্ট বোলার জাহির খান রয়েছেন এই তালিকায়। পুনেতে ২০০৪-০৫ সালে পথচলা শুরু হয় রেস্তরাঁর। এরপর মুম্বইতে শাখা খোলা হয়। রেস্তরাঁর নাম ‘Zaheer Khan’s Dine Fine’। আউটডোক ইভেন্ট, রেস্তরাঁ, স্পোর্টস লাউঞ্জ ও ব্যাঙ্কোয়েট আছে।

ভারতের দুটো শহরে আছে সচিন তেন্ডুলকরের রেস্তরাঁ। নাম ‘Tendulkar’s’। মুম্বই ও বেঙ্গালুরুতে রয়েছে এই রেস্তরাঁ। বরাবরই খাদ্যপ্রেমী সচিন মাঝেমাঝেই ঢুঁ মারেন তাঁর রেস্তরাঁতে।

পাকিস্তান দল গঠন নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে নিন্দা আসছে। দলের ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এশিয়া কাপের পর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিপাক্ষিক সিরিজে হারের পর যা আরও বেড়েছে।

[ad_2]

Leave a Reply