ADS বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন: [email protected]

এবার কোহলিকে পাল্টা আক্রমণ করলেন সুনীল গাভাস্কর, বললেন এই মারাত্মক কথা

এবার কোহলিকে পাল্টা আক্রমণ করলেন সুনীল গাভাস্কর, বললেন এই মারাত্মক কথা

[ad_1]

যখন সেঞ্চুরি খুঁজতে গিয়ে একটানা অফ-ফর্মে ছিলেন, সেই সময়ে মিডিয়ার মাধ্যমে অনেকেরই বিভিন্ন পরামর্শ পেয়েছেন বিরাট কোহলি। যদিও মহেন্দ্র সিং ধোনি ছাড়া তার সঙ্গে মুঠোফোনে কেউ যোগাযোগ করেননি বলে সম্প্রতি মন্তব্য করেন কোহলি। এমন মন্তব্য করার পর কথার যুদ্ধে তাকে পাল্টা আক্রমণ করলেন সুনীল গাভাস্কার। গাভাস্কারের মতে, কোহলিকে মুঠোফোনে বার্তা পাঠানোর মতো কিছুই ছিল না!

কয়েকমাস আগেও কোহলি যখন রান পাচ্ছিলেন না তখন তাকে বিভিন্ন রকম পরামর্শ দিতে থাকেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটাররা। সাবেক কোচ রবি শাস্ত্রী থেকে শুরু করে বোর্ড সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি পর্যন্ত প্রত্যেকেই মিডিয়ার মাধ্যমে বার্তা পাঠাতে থাকেন কোহলিকে।

এশিয়া কাপে ব্যাটে রান আসতে থাকায় ধীরে ধীরে বাজে সময় পার করতে চলেছেন কোহলি। একইসঙ্গে দুঃসময়ের স্মৃতিও মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে তার। পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে জানান নিজের রুঢ অভিজ্ঞতার কথা।

সেই কথার জবাবে গাভাস্কার বলেন, ‘আমি জানি না ড্রেসিং রুমের ভেতরে ক্রিকেটারদের সম্পর্ক কেমন। কিন্তু যদি সে একজনের নাম বলতে পারে যে কিনা তার পাশে ছিল, তাহলে তার পাশে যারা ছিল না তাদের নামও বলা উচিত। তাহলে সেটা সবার জন্যই ভালো হয়। নয়তো লোকে ভাববে কেউই তার পাশে ছিল না!’

‘সে কী ধরনের বার্তা চেয়েছে? উৎসাহ? কিন্তু সে তো নেতৃত্ব ছেড়েই দিয়েছে। তাহলে তার উৎসাহের প্রয়োজন হবে কেন? এই বিষয়টা (নেতৃত্ব) কিন্তু আগেই শেষ হয়ে গেছে। যখন অধিনায়কত্ব শেষ হয়ে যায় তখন নিজের খেলায় মনোনিবেশ করতে হয়।’

তার আগে কোহলি জানিয়েছিলেন, যদি কেউ সত্যিকার অর্থেই তার ভালো চাইত, তাহলে তারা মিডিয়ায় কথা না বলে সরাসরি কোহলির সঙ্গেই কথা বলত। এক্ষেত্রে কেবল সাবেক অধিনায়ক ধোনিকেই আলাদা করে রাখেন কোহলি।

তিনি বলেছিলেন, ‘একটা কথা আপনাদের বলতে পারি, টেস্টের নেতৃত্ব ছাড়ার পর, কেবল একজন মানুষের কাছ থেকেই ম্যাসেজ পেয়েছি, যার সঙ্গে আগে খেলেছি-তিনি হলেন এমএস ধোনি। অনেকের কাছেই আমার ফোন নম্বর আছে। টিভিতে কত লোকে পরামর্শ দেন আমাকে, কত কথা বলেন! কিন্তু যতজনের কাছে আমার নম্বর আছে, আর কেউ ম্যাসেজ দেননি।’

‘গোটা দুনিয়ার সামনে আমার জন্য পরামর্শ মেলে ধরলে, আমার কাছে সেটির কোনো মূল্য নেই। যদি আমার উন্নতির জন্যই হয়, তাহলে আমার সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারেন এবং বলতে পারেন যে, ‘সত্যিই তোমার ভালো চাই।’ আমি জীবনটা যাপন করি অনেক সততা নিয়ে, কাজেই সবকিছু এভাবেই দেখি।’

২০১৯ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচে সেঞ্চুরি করার পর থেকে আর তিন অঙ্কের ম্যাজিকাল ফিগার ছোঁয়া হয়নি কোহলির। এরপর তো সেঞ্চুরি খুঁজতে খুঁজতে তিনি ঘুরপাক খান অফ-ফর্মেই।

কিছুদিন আগে ইংল্যান্ড সফরে পাঁচটি ম্যাচ খেলে মোটে ৭৬ রান করেন কোহলি। এর মধ্যে ২০ রান অতিক্রম করতে পারেননি একটি ইনিংসেও। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ে সফরে বিশ্রামে ছিলেন কোহলি।

পুরোপুরি সতেজ হয়েই সংযুক্ত আরব আমিরাতে এশিয়া কাপ খেলতে যান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত ৭০টি সেঞ্চুরি হাঁকানো কোহলি। আর এশিয়া কাপে এখন পর্যন্ত দুটি হাফ সেঞ্চুরি করে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত বেশ ভালোভাবেই দিয়েছেন তিনি।

[ad_2]

Leave a Reply