ADS বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন: [email protected]

কাজ করতেন কাঠের দোকানে! নিজের বুদ্ধিতে আঠা তৈরি করে আজ ১হাজার কোটি টাকার মালিক বলওয়ান্ত পারেখ

কাজ করতেন কাঠের দোকানে! নিজের বুদ্ধিতে আঠা তৈরি করে আজ ১হাজার কোটি টাকার মালিক বলওয়ান্ত পারেখ

[ad_1]

কাজ করতেন কাঠের দোকানে! নিজের বুদ্ধিতে আঠা তৈরি করে আজ ১হাজার কোটি টাকার মালিক বলওয়ান্ত পারেখ

কাজ করতেন কাঠের দোকানে! নিজের বুদ্ধিতে আঠা তৈরি করে আজ ১হাজার কোটি টাকার মালিক বলওয়ান্ত পারেখ
কাজ করতেন কাঠের দোকানে! নিজের বুদ্ধিতে আঠা তৈরি করে আজ ১হাজার কোটি টাকার মালিক বলওয়ান্ত পারেখ
কাজ করতেন কাঠের দোকানে! নিজের বুদ্ধিতে আঠা তৈরি করে আজ ১হাজার কোটি টাকার মালিক বলওয়ান্ত পারেখ
কাজ করতেন কাঠের দোকানে! নিজের বুদ্ধিতে আঠা তৈরি করে আজ ১হাজার কোটি টাকার মালিক বলওয়ান্ত পারেখ
কাজ করতেন কাঠের দোকানে! নিজের বুদ্ধিতে আঠা তৈরি করে আজ ১হাজার কোটি টাকার মালিক বলওয়ান্ত পারেখ

আজকাল সোশ্যাল মিডিয়ায় এডিক্টেড কে না নয়! সময় সুযোগ পেলেই একটু কোমর নাচাতে কারুরই দেরি হয়না।

কাজ করতেন কাঠের দোকানে! নিজের বুদ্ধিতে আঠা তৈরি করে আজ ১হাজার কোটি টাকার মালিক বলওয়ান্ত পারেখ
কাজ করতেন কাঠের দোকানে! নিজের বুদ্ধিতে আঠা তৈরি করে আজ ১হাজার কোটি টাকার মালিক বলওয়ান্ত পারেখ
কাজ করতেন কাঠের দোকানে! নিজের বুদ্ধিতে আঠা তৈরি করে আজ ১হাজার কোটি টাকার মালিক বলওয়ান্ত পারেখ
কাজ করতেন কাঠের দোকানে! নিজের বুদ্ধিতে আঠা তৈরি করে আজ ১হাজার কোটি টাকার মালিক বলওয়ান্ত পারেখ
কাজ করতেন কাঠের দোকানে! নিজের বুদ্ধিতে আঠা তৈরি করে আজ ১হাজার কোটি টাকার মালিক বলওয়ান্ত পারেখ

এছাড়া নাচ, গান, স্টান্ট, খেলা সবেতেই ওস্তাদ মানুষের এখন জুড়ি মেলা ভার, যা কিনা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই উঠে আসে।]

কাজ করতেন কাঠের দোকানে! নিজের বুদ্ধিতে আঠা তৈরি করে আজ ১হাজার কোটি টাকার মালিক বলওয়ান্ত পারেখ

প্রতিদিনই এখানে মানুষের নতুন নতুন কান্ড-কারখানা ভাইরাল হচ্ছে। আমাদের আধুনিকতম যুগে নিত্যদিন আমাদের জীবনে সোশ্যাল মিডিয়ার গুরুত্ব বেড়েই চলেছে।

কাজ করতেন কাঠের দোকানে! নিজের বুদ্ধিতে আঠা তৈরি করে আজ ১হাজার কোটি টাকার মালিক বলওয়ান্ত পারেখ
কাজ করতেন কাঠের দোকানে! নিজের বুদ্ধিতে আঠা তৈরি করে আজ ১হাজার কোটি টাকার মালিক বলওয়ান্ত পারেখ
কাজ করতেন কাঠের দোকানে! নিজের বুদ্ধিতে আঠা তৈরি করে আজ ১হাজার কোটি টাকার মালিক বলওয়ান্ত পারেখ
কাজ করতেন কাঠের দোকানে! নিজের বুদ্ধিতে আঠা তৈরি করে আজ ১হাজার কোটি টাকার মালিক বলওয়ান্ত পারেখ
কাজ করতেন কাঠের দোকানে! নিজের বুদ্ধিতে আঠা তৈরি করে আজ ১হাজার কোটি টাকার মালিক বলওয়ান্ত পারেখ

মানুষ এটি এমন একটি প্লাটফর্ম হিসেবে ধরে নিয়েছে যার মাধ্যমে সারা বিশ্বের কাছে নিজেকে এবং নিজের প্রতিভাকে তুলে ধরতে সক্ষম হয়।

যত দিন যাচ্ছে ততই মানুষ যেন আরো বেশি এই ডিজিটাল দুনিয়ার ওপরে নির্ভর হয়ে পড়ছে। যে একজন ব্যক্তি নিষ্ঠা ও পরিশ্রম দিয়ে সবকিছু অর্জন করতে পারে। শুধুমাত্র লক্ষ স্থির থাকতে হয়।

ফেভিকল আমাদের সকলেরই খুব পরিচিত একটি ব্র্যান্ড। এই কোম্পানির বিজ্ঞাপন আমরা সবসময় দেখে থাকি। ফেবিকল এমন একটি জিনিস যা প্রায় প্রতিটি বাড়িতে ব্যবহৃত হয়।

ভারতে আঠা তৈরির এই বড় কোম্পানির গল্প সকল মানুষ কেই অনুপ্রাণিত করে। আপনিও এই কোম্পানির মালিক বলওয়ান্ত পারেখের গল্প শুনলে অনুপ্রাণিত হতে পারেন বলওয়ান্ত পারেখ,

একসময় পিয়নের চাকরি করতেন, তিনি আজ ফেভিকল কোম্পানির মালিক৷ কঠোর পরিশ্রমের জোরে তিনি একটি সাফল্যের গল্প তৈরি করেছেন।

বলবন্ত পারেখ ১৯২৫ সালে ভারতবর্ষের গুজরাটের ভাবনগর জেলার মহুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলায় তিনি নিজের গ্রামেরই একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে স্কুলের পড়াশোনা শেষ করেছেন।

স্কুলের পড়াশোনা শেষ করেন। তারপর বলবন্ত পারেখ মুম্বাইয়ের সরকারি আইন কলেজে যোগ দেন। কিন্তু তিনি কোনদিনই আইনজীবী হতে চাননি তার ইচ্ছে ছিল বরাবরই নিজের একটি ব্যবসা শুরু করার।

কিন্তু তার আর্থিক অবস্থা ততটা ভাল ছিল না তার ওপরে বিয়ে হয়ে গিয়েছিল তার ফলে সংসারের সমস্ত দায়িত্ব তার কাঁধে এসে পড়ে আর্থিক সমস্যা দূর করতে তিনি কিছুদিন ছাপাখানায় কাজ করেন। কিন্তু সেখানে বেশি দিন কাজ করতে পারেনি তিনি এরপর তিনি এক কাঠ ব্যবসায়ীর কাছে চাপরাশির কাজ করতে শুরু করেন সেখানে বেশ কিছুদিন ক্লার্ক এবং চাপরাশির কাজ করেন কিন্তু সেখানেও খুব বেশিদিন টিকতে পারেননি। এরপর তিনি জার্মানি চলে যান জন্ম নিতে গিয়ে ব্যবসাসংক্রান্ত অনেক কিছু শেখেন। যখন তিনি কাঠ ব্যবসায়ীর কাছে চাপরাশির কাজ করতেন তখন তিনি সকলকে দেখবেন ঠিকমত কাজ জোড়া লাগাতে পারত না তারা বরং কার্ড জোড়া লাগাতে গেলে বিচ্ছিরি গন্ধ বের হত আর সেখান থেকেই মাথায় বুদ্ধি আসে সুগন্ধি আঠা তৈরি করার।

এরপরই অনেক প্রচেষ্টার পরে নানান রকমের সিন্থেটিক রাসায়নিক ব্যবহার করে আঠা তৈরির একটি উপায় আবিষ্কার করেন। আর বলবন্ত পারেখ, এবং তার ভাই সুনীল পারেখ ১৯৫৯ সালে পিডিলাইট কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন। এই কোম্পানি প্রতিষ্ঠার পর বলবন্ত দেশকে সুগন্ধি আঠা ‘ফেভিকল’ আবিষ্কার করেন। পারক বাজারে আসার পর ফেবিকল দারুণ জনপ্রিয়তা পায় এরপর ওই কোম্পানি থেকে ফেবিকুইক এবং আরো অন্যান্য নানান ধরনের পণ্য বিক্রি হতে শুরু করে বর্তমানে ফেবিকল কোম্পানির মালিক হলেন বলবন্ত পারেখের বড় ছেলে মধুকর পারেখ। বর্তমানে তিনি এখন ধনী ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম তার বর্তমান সম্পত্তির পরিমাণ ৩.১ মিলিয়ন ডলার।

[ad_2]

Leave a Reply