ADS বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন: [email protected]

কার্তিকের বুড়ো হারের ভ্যাল্কিতে ম্যাচ জয়ের পরে বড় বয়ান দিলেন রোহিত শর্মা,

কার্তিকের বুড়ো হারের ভ্যাল্কিতে ম্যাচ জয়ের পরে বড় বয়ান দিলেন রোহিত শর্মা,

[ad_1]

রহিত-কার্তিকের ব্যাটে ভর করে অস্ট্রেলিয়াকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সিরজ বাঁচিয়ে রাখল ভারত। নাগপুরে শুক্রবার ভারত-অস্ট্রেলিয়া তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে। বৃষ্টির জন্য ভেজা মাঠের কারণে এদিন কুড়ির বদলে চলছে আট ওভারের খেলা।

দীনেশ কার্তিক: খুব বেশি কথা হয়নি। রোহিত আমাকে বলার চেষ্টা করছিলেন যে বোলার কি করবে, আমার পরিকল্পনা ছিল। মিডল অর্ডার ব্যাটার হিসেবে এটা মৃত্যুদন্ড নিয়ে। উইনিং রান হিট করতে ভালো লাগছে।

ব্যাট হাতে রো এবং বল হাতে অক্ষর দাঁড়িয়েছেন, বুমরাহকে ফিরে দেখে ভালো লাগছে। আমাদের গতিকে এগিয়ে নিতে হবে। ১-১ একটি ভাল স্কোর. আপনি সেই ক্রাঞ্চ গেম খেলতে চান। কিন্তু তার চেয়েও বড় কথা, কোনো আঘাত ছাড়াই ভিড়ের জন্য একটি শো করতে পেরে আমরা খুশি।

ভারত অধিনায়ক: আমিও বেশ অবাক হয়েছিলাম। এটি এমনভাবে আঘাত করার আশা করিনি, আনন্দিত এটি বন্ধ হয়ে গেছে। গত ৮-৯ মাস ধরে আমি এভাবেই খেলছি।

আপনি সত্যিই খুব বেশি পরিকল্পনা করতে পারবেন না যেমন একটি সংক্ষিপ্ত খেলা. বোলারদের বোলিং করার মতো কিছু ছিল এবং আমরা ভালো বল করেছি।

শিশির পরে আসতে শুরু করে, যার কারণে আমরা হর্ষলের কাছ থেকে কয়েকটি ফুল টস দেখেছি। মাস দুয়েক পর ফিরে আসছেন পিঠের চোট চতুর হতে পারে।

সে কীভাবে বোলিং করেছে তা নিয়ে আমি খুব বেশি কথা বলতে যাচ্ছি না। আমাদের গুরুত্বপূর্ণ উইকেট পেয়েছেন। দল হিসেবে আমরা খুব বেশি বিশ্লেষণ করতে যাচ্ছি না। শুধু চাই সে এসে উপভোগ করুক।

অক্ষর যেকোনো পর্যায়ে বল করতে পারে, আমাকে একটা সুবিধা দেয় বিভিন্ন পরিস্থিতিতে অন্যান্য বোলারদেরও ব্যবহার করা – সম্ভবত সে পাওয়ারপ্লেতে বোলিং করলে মাঝের ওভারে পেসারদের ব্যবহার করতে পারে।

আমি তার ব্যাটিংও দেখতে চাই। খুশি ডি কে ভাল শেষ করতে পারে. মাঝপথে কিছু সময় হলো সে। আমাদের ঋষভকে দলে নেওয়া উচিত কিনা এই চিন্তা ছিল কিন্তু আমি ভেবেছিলাম স্যাম অফ-কাটার বোলিং করতে যাচ্ছেন,

তাই আমি ভেবেছিলাম ডিকেকে আসতে দিন এবং সে যেভাবেই হোক আমাদের জন্য সেই ভূমিকা পালন করছে। আউটফিল্ড প্রস্তুত করতে দুপুর দেড়টা থেকে গ্রাউন্ডসম্যানরা এখানে রয়েছেন।

টস জিতে রোহিত শর্মার ভারত ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল অস্ট্রেলিয়াকে। অ্যারন ফিঞ্চ অ্যান্ড কোং প্রথমে ব্যাট করে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ৮ ওভারে তুলল ৯০। জবাবে ব্যাট করতে নেমে অপেনিং রাহুল ৬ বলে ১০ রান করেন।

বিরাট কোহলি ৬ বলে ১১ রতান করেন। ৯ বলে ৯ রান করেন হার্দিক, ১ বলে ১ রান করে আউট হন সূর্য কুমার যাদব। ২০ বলে ৪৬ রান করে অপারাজিত থাকেন অধিনায়ক রোহিত এবং ২ বলে ১০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে দলকে জয়ের মুখ দেখান দীনেশ কার্তিক।

দ্রুত রান তোলার জন্য অস্ট্রেলিয়ার হয়ে মারকাটারি মেজাজে ওপেন করতে নামেন অধিনায়ক ফিঞ্চ ও ক্যামেরন গ্রিন। কিন্তু দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় বলে ফিরে যান বিধ্বংসী গ্রিন। বিরাট কোহলির অসাধারণ থ্রো-ধরে অক্ষর রান আউট করেন গ্রিনকে।

৪ বলে ৫ রান করে ফেরেন তিনি। এরপর ব্যাক-টু-ব্যাক উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (০) ও টিম ডেভিডকে (২) ক্লিন বোল্ড করে দেন অক্ষর।

চার ওভারের মধ্যে ৩১ রানে তিন উইকেট হারিয়ে ফেলে ক্যাঙারু বাহিনী। এরপর ১৫ বলে ৩১ করে ফিঞ্চ বোল্ড হয়ে যান জসপ্রীত বুমরার বলে

শেষ তিন ওভারে ব্যাট হাতে দাপট দেখান ম্যাথিউ ওয়েড। ২০ বলে অপরাজিত ৪৩ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। ছয়ে নেমে স্মিথ ৫ বলে ৮ রান করেন। ৮ ওভারে ভারতকে জেতার জন্য ৯১ রানের টার্গেট দিয়ে ফেলে অস্ট্রেলিয়া।

এদিন আন্তর্জাতিক প্রত্যাবর্তন করলেনম বুমরা। ছাপ রাখলেন মাঠে নেমেই। ২ ওভারে ২৩ রান দিয়ে তুলে নিলেন ১ উইকেট। হার্দিক পাণ্ডিয়া ১ ওভার বল করে দিয়েছেন ১০ রান।

যুজবেন্দ্র চাহালও এক ওভার করলেন। ১২ রান খরচ করলেন তিনি। কোনও উইকেট পাননি। অক্ষর যথারীতি নিজের কাজটা করে দিলেন। ২ ওভারে ১৩ রান করে তুলে নিলেন ২ উইকেট।

তবে হর্ষল প্যাটেলকে সবচেয়ে বেশি রান দিলেন এদিন। নির্দিষ্ট কোটারক ২ ওভার বল করলেন। কোনও উইকেট তো পেলেনই না, উল্টে দিলেন ৩২ রান।

[ad_2]

Leave a Reply