ADS বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন: [email protected]

চাচা আপন প্রাণ বাঁচা: শচীনকে বুড়ো আখ্যা দিয়ে ঠাট্টা করছিলেন এই খেলোয়াড়, যোগ্য জবাব দিয়ে তাকে লজ্জায় ফেলেন সেহওয়াগ !!

চাচা আপন প্রাণ বাঁচা: শচীনকে বুড়ো আখ্যা দিয়ে ঠাট্টা করছিলেন এই খেলোয়াড়, যোগ্য জবাব দিয়ে তাকে লজ্জায় ফেলেন সেহওয়াগ !!

[ad_1]

ভারতের মহান ব্যাটসম্যান শচীন তেন্ডুলকারকে ক্রিকেটের ঈশ্বর বলা হয়। তার কেরিয়ারে শচীন তেন্ডুলকার কখনই কোন প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের সঙ্গে বিনা কারণে গোলমাল করেননি। কিন্তু এমন অনেক খেলোয়াড় ছিলেন যারা শচীন তেন্ডুলকারকে নিয়ে মন্তব্য করতে দ্বিধা করেননি।

একবার ক্রিকেট মাঠে অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান মাইকেল ক্লার্ক শচীন তেন্ডুলকারকে নিয়ে মন্তব্য করছিলেন এবং তাঁকে বুড়ো বলছিলেন। শচীন এই বিষয়ে কোন উত্তর না দিলেও তার সঙ্গে ব্যাট করা বীরেন্দ্র সেহওয়াগের দেওয়া উত্তরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

কৌতুক অভিনেতা কপিল শর্মার একটি শো চলাকালীন, বীরেন্দ্র সেহওয়াগ এই ঘটনার উল্লেখ করে বলেছিলেন, ‘আমি এবং শচীন তেন্ডুলকার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে একটি ম্যাচে ব্যাট করছিলাম। ততদিনে অস্ট্রেলিয়া দলে মাইকেল ক্লার্কের প্রবেশ ঘটেছে। আমার এবং শচীন তেন্ডুলকারের ব্যাটিংয়ের সময় ক্লার্ক ক্রমাগত শচীন পাজির সাথে ঝগড়া করছিলেন। শচীনকে নিয়ে বলছিলেন, “তুমি বুড়ো হয়ে গেছ। তুমি আর ফিল্ডিং করতে পারবেন না। তুমি এটা করতে পারবে না, ওটা পারবে না।”

বীরেন্দ্র সেহওয়াগ আরও জানান, অনেকক্ষণ ক্লার্কের কথা শোনার পর তিনি ক্লার্কের কাছে যান। সেহওয়াগ ক্লার্ককে তার বয়স সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, “আপনার বয়স কত? ক্লার্ক উত্তর দেন – ২৩ বছর।” এতে সেহওয়াগ বলেন, “আপনি জানেন টেস্টে শচীনের সেঞ্চুরির সংখ্যা আপনার বয়সের চেয়ে বেশি।”

একথা শোনার পরও মাইকেল ক্লার্ক চুপ করতে রাজি হননি। তখন সেহওয়াগ আবার ক্লার্কের কাছে গিয়ে তাকে বলেন, “তোমার বন্ধু তোমাকে পাপস বলে ডাকে (কুকুরছানা)? ক্লার্ক বললেন- ‘হ্যাঁ’।” এই নিয়ে সেহওয়াগ আরেকটি প্রশ্ন করেন, “তাহলে আপনি কোন জাতি?” এই কথা শোনার পর মাইকেল ক্লার্কের মুখ দেখার মতো হয়ে ওঠে।

ক্রিকেটে, স্লেজিং করা হয় অন্য খেলোয়াড়দের মনোযোগ বিভ্রান্ত করার জন্য। শচীন সম্পর্কে বলা হয়েছিল যে কেউ তার সাথে কথা বললে তার কান বন্ধ থাকে। তিনি পাত্তা দিতেন না। যদিও শচীনের বিরুদ্ধে হওয়া স্লেজিংয়ের জবাব দিতেন সেহওয়াগ। উল্লেখ্য, শচীন এবং সেহওয়াগ হল ভারতীয় ক্রিকেটের সেই নাম, যা কেউ ভুলতে পারবে না। ২০১৩ সালেই ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছিলেন শচীন, তারপর ২০১৫ সালে ক্রিকেট থেকে অবসর নেন সেহওয়াগ।

[ad_2]

Leave a Reply