ADS বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন: [email protected]

হতভম্ব ক্রিকেট বিশ্ব, ‘বাঘের চোখ’ই ছিল আসল কারণ, ভয়ে অজিরা ভুলেও শচীনের সঙ্গে করেনি এই কাজ!

হতভম্ব ক্রিকেট বিশ্ব, ‘বাঘের চোখ’ই ছিল আসল কারণ, ভয়ে অজিরা ভুলেও শচীনের সঙ্গে করেনি এই কাজ!

[ad_1]

ব্যাগি গ্রিনসদের বিরুদ্ধে আধুনিক ক্রিকেটের ডনের ঝুলিতে আছে ১১টি শতরান ও ১৬টি অর্ধ-শতরান। যে অস্ট্রেলিয়া মাইন্ড গেমের জন্য পরিচিত। সেই অজিরাই কখনও সচিনকে স্লেজ করেনি। অস্ট্রেলিয়া কেন এমনটা কখনও করেনি, তা খোলসা করলেন প্রাক্তন অজি স্পিডস্টার ব্রেট লি।

সচিন তেন্ডুলকরের কোনও বিশেষণের জন্য প্রয়োজন নেই। তিনি সর্বকালের অন্যতম সেরাদের একজন। কিংবদন্তি ব্যাটিং মায়েস্ত্রো ১৯৮৯ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মাত্র ১৬ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক অভিষেক করেন।

এরপর ২৪ বছর সর্বোচ্চ পর্যায়ে বাইশ গজ শাসন করেছেন। আজও সচিনই টেস্ট এবং ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রানের মালিক। সচিনের কেরিয়ারে তাঁর পয়মন্ত প্রতিপক্ষ ছিল অস্ট্রেলিয়া।

সচিন অজিদের বিরুদ্ধে দুই ফরম্যাট মিলিয়ে ১১০টি ম্যাচ খেলেছেন। এর মধ্যে ৩৯টি টেস্ট ম্যাচে ৫৫.০০-র গড়ে সচিন ৩৬৩০ রান করেছেন। ওয়ানডে ক্রিকেটে সচিন ক্যাঙারুদের বিরুদ্ধে ৭১টি ম্যাচ খেলেছেন।

করেছেন ৩০৭৭ রান। গড় ৪৪.৫৯। ব্যাগি গ্রিনসদের বিরুদ্ধে আধুনিক ক্রিকেটের ডনের ঝুলিতে আছে ১১টি শতরান ও ১৬টি অর্ধ-শতরান। যে অস্ট্রেলিয়া মাইন্ড গেমের জন্য পরিচিত। সেই অজিরাই কখনও সচিনকে স্লেজ করেনি। অস্ট্রেলিয়া কেন এমনটা কখনও করেনি, তা খোলসা করলেন প্রাক্তন অজি স্পিডস্টার ব্রেট লি।

লি তাঁর ইউটিউব চ্যানেলে বলেন, ‘মাঠের এবং মাঠের বাইরের সচিন সম্পূর্ণ আলাদা। ওর বিরুদ্ধে বল করার সময়ে, আমি ওর চোখের দিকে তাকাতাম। মানুষের নয়, বাঘের চোখ ছিল। ও সবসময় যুদ্ধের মেজাজে থাকত।

আমরা সবসময় দলে একে-অপরের সঙ্গে একটা বিষয় নিয়েই কথা বলতাম। সচিন যখন ব্যাট করবে, ওর সঙ্গে যেন কেউ কথা না বলে। কারণ সচিনকে একবার স্লেজ করলে ও কিন্তু আজীবন ব্যাট করতে থাকবে।’

সচিনের সঙ্গে লি-র দ্বৈরথ ক্রিকেট অনুরাগীরা চুটিয়ে উপভোগ করেছে। দুই দেশের দুই মহারথীর একে-অপরের প্রতি শ্রদ্ধা ছিল অসীম। বন্ধুতার সম্পর্ক হয়ে যায় সচিন-লি-র। আজ তাঁদের কেরিয়ার ক্রিকেটে ইতিহাসের সোনালী অতীতেরই অঙ্গ।

[ad_2]

Leave a Reply