প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মামলায় সিবিআইয়ের রিপোর্ট তলব আদালতের; মানিক ভট্টাচার্যকে সরিয়ে দেওয়া ঠিক হয়নি: এজি

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মামলায় সিবিআইয়ের রিপোর্ট তলব আদালতের; মানিক ভট্টাচার্যকে সরিয়ে দেওয়া ঠিক হয়নি: এজি

Bengaliportal: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মামলায় এবার সিবিআইয়ের রিপোর্ট তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে এই নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকর্টের বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের ডিভিশন বেঞ্চ। মঙ্গলবারের মধ্যে মামলার তদন্ত সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সিবিআই-কে।

bengaliportal

 

প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে রিপোর্ট পেশ করতে হবে সিবিআই’কে। এই মামলার তদন্তে কী কী অগ্রগতি হয়েছে তা জানাতে হবে আদালতকে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে সেই বিষয়ে প্রয়োজনীয় নথি-সহ আদালতে জমা দিতে হবে সিবিআই’কে।

শুনানিতে রাজ্যের এজি সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় ডিভিশন বেঞ্চে জানান, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মামলার সাথে রাজ্যের সরাসরি যোগাযোগ না থাকলেও এটা রাজ্যের স্কুলগুলোর জন্য নিয়োগ হওয়া শিক্ষকদের  বিষয়। ২৬৫ জন শিক্ষকের নিয়োগ নিয়ে সমস্যা। তাঁদের নিয়োগ হয়েছে চার বছর পর।যাঁদের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে অভিযোগ, সেই শিক্ষকদেরই এই মামলায় যুক্ত করা হয়নি। অথচ তাঁদের নিয়োগ নিয়েই প্রশ্ন তুলে মামলা।যা সম্পূর্ণ বেআইনি বলে অভিযোগ করেন এজি। যাঁরা চাকুরী হারিয়েছেন আদালতের নির্দেশে তাঁরা প্রত্যেকে সরকারি কর্মচারী।যাঁদের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তাঁরা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পেলেন না। এদিন জানান সৌমেন্দ্রবাবু।

এদিন শুনানি চলাকালীন সিবিআইয়ের আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্যের কাছে বিচারপতি জানতে চান, তাঁরা কী করছেন। আইনজীবী বলেন, আমরা একক বেঞ্চের নির্দেশে সিট গঠন করেছি আদালতের নদরদারিতে তদন্ত করছি। এর পরেই বিচারপতি বলেন, আপনারা মঙ্গলবারের মধ্যে রিপোর্ট দিন কতটা কী করেছেন। শুক্রবার ফের মামলার শুনানি রয়েছে।

আদালতে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল গোপাল মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘২৬৯ জনের চাকরি বাতিল হয়ে গেল। পর্ষদ সভাপতিকে সরিয়ে দেওয়া হল। এমন বিচার আদালতে কতটা গ্রহণযোগ্য। চার বছর পরে কেন মামলা করা হল। মামলাকারীর মামলা করার অধিকার রয়েছে কি না, তা খতিয়ে না দেখেই একক বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে। ওই শিক্ষকদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েই চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তিনি স্বীকার করেন, ২৭৩ জনের নিয়োগ তালিকায় ভুল ছিল। তিনি জানান, এর বাইরে কোনও অনিয়ম হয়নি। এখানে ফৌজদারি অপরাধ কোথায়।

Leave a Reply