চুলের আগা বা ডগা ফাটা দূর করার সম্পূর্ণ ঘরোয়া পদ্ধতি

চুলের আগা বা ডগা ফাটা দূর করার সম্পূর্ণ ঘরোয়া পদ্ধতি
চুলের আগা বা ডগা ফাটা দূর করার সম্পূর্ণ ঘরোয়া পদ্ধতি

চুলের আগা বা ডগা ফাটা দূর করার সম্পূর্ণ ঘরোয়া পদ্ধতি: চুলের আগা বা ডগা ফাটা হলো সৌন্দর্যের বাঁধার একটি গুরুত্ব পূর্ণ দিক। নিয়মিত চুল না আঁচড়ালে এবং চুলের অযত্নের ফলে চুলের ডগা বা ফাটতে শুরু করে। এছাড়া সূর্যের অতিরিক্ত তাপে দিনের পর দিন চুল লাল হতে হতে এক সময় চুলের আগা ফেটে যায়। এর হাত থেকে বাঁচার জন্য বিশেষ যত্ন নেয়া দরকার। চুলের আগা ফাটার হাত থেকে বাঁচার সবথেকে গুরুত্ব পূর্ণ হলো ভেষজ বা আয়ুর্বেদ পদ্ধতি।

চুলের আগা বা ডগা ফাটা দূর করার সম্পূর্ণ ঘরোয়া পদ্ধতি – How To Remove Crack Tip Hair:

১. চুলের ডগা ফেটে গেলেই বুঝতে হবে চুলের প্রচন্ড ক্ষতি হয়েছে। তাই ফাটা অংশ কেটে ফেলুন। চুলের ডগা ফাটা অবস্থায় বেশিদিন রেখে দিলে তা গোড়া পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। সেক্ষেত্রে চুল বেশি উঠে যেতে পারে এছাড়া চুলের ডগা ফাটার জন্য চুলের বৃদ্ধিও বন্ধ হয়ে যাবে।

২. ক্লোরিনযুক্ত জল প্রতিদিন ব্যবহারের ফলে চুলের ডগা ফেটে যায়। এক্ষেত্রে জল ফুটিয়ে নিয়ে ঠান্ডা করে ব্যবহার করুন। সবসময় কম ক্ষারযুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। রোদে বার হলে সবসময় ছাতা ব্যবহার করুন।

৩. তাড়াতাড়ি করে অনেকেই টেনে-হিঁচড়ে চুল আঁচড়ান এর ফলে চুলে আরো বেশি ক্ষতি হয়। তাতে চুলে জট পড়তে পারে। জট পড়লে টানা টানির কারণে চুল ছিঁড়ে যায়। আর যে চুল গুলি ছেঁড়েনা সেগুলি নমনীয়তা হারিয়ে ফেলে ও চুলের আগা বা ডগা ফাটতে শুরুকরে। তাই চুলকে কোমল ও ঝড়ঝরে এবং সুস্থ রাখতে ধৈর্য্য সহকারে ধীরে ধীরে আঁচড়ানো প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: চুল পাকা রোধ করার কার্যকরী উপায়

৪. শ্যাম্পু করার আগের দিন রাতে বা বা ১ ঘন্টা আগে মাথায় নারকেল তেল গরম করে আঙুলের ডগা দিয়ে চুলের গোড়ায় ভালো করে ম্যাসাজ করুন। তার পর শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে নিন।

৫. ভিজে চুল কখনো আঁচড়াবেন না। চুল উল্টে ঘাড় থেকে ডগা পর্যন্ত ৫০ থেকে ১০০ বার ভালো করে প্রতিদিন চুল আঁচড়ান এতে চুলের ডগায় রক্ত সঞ্চালন বাড়বে ও চুলের ডগা ফাটা বন্ধ হবে।

৬. যদি চুল অতিরিক্ত ফাটে তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ মতো ভিটামিন-সি, যুক্ত খাবার বা ট্যাবলেট খান।

Leave a Reply